মির্জাগঞ্জে রাস্তার কাজে নিম্ন মানের জিনিসপত্র ব্যাবহার

মির্জাগঞ্জে রাস্তার কাজে নিম্ন মানের জিনিসপত্র  ব্যাবহার
ছবিঃ মোঃ আল মামুন

দৈনিক বিজয় নিউজ মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ

মেয়াদ শেষ হলেও মির্জাগঞ্জে শেষ হয়নি রাস্তা নির্মাণের কাজ। এলজিইডি’র গাফিলতির সুযোগে ঢিলা ঢালা গতিতে নির্মাণকাজ চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। আর এসব দেখেও না দেখার ভান করছে এলজিইডি। উপজেলার মাধবখালী ইউপিএসসি কাঁঠালতলী ব্রিজ-মহিষকাটা বাজার রোড পর্যন্তÍ ২ কিলোমিটার  সড়ক  নির্মাণের এসব অভিযোগ পাওয়া গেছে।  উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা যায়, রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে (জিওবিএম)-এর অর্থায়নে দরপত্র আহ্বান করে এলজিইডি। এতে ১ কোটি ২২ লাখ ৭ হাজার ১৪ টাকা ব্যয়ে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মের্সাস হালিমা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। চুক্তিমতে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর মধ্যে রাস্তাটি নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এখনো খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে রাস্তার কাজ। বেট কেটে রোলার দিয়ে মাটি সমান করে সাব-বেইজের কাজ করার নিয়ম থাকলেও কোনো ধরনের রোলার দেয়া হয়নি বলে জানা যায়। এছাড়াও সাব- বেইজে মেগাডামের চেয়ে বালির পরিমাণ বেশি দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে নির্মাণ কাজে নিম্ন্নমানের সামগ্রী  ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় লোকজন। 

সরজমিন দেখা যায়, রাস্তার দু’পাশে বেট কেটে বালি দিয়ে ভরাট করে রেখেছে। তাও আবার বিট পর্যন্তÍ না।  সেই বালির ওপর রয়েছে কিছু নিম্নমানের ইট সুরকি। এসব পচা মেগাডাম দিয়ে চলবে রাস্তা নির্মান কাজ। স্থানীয়রা বলেন, রাস্তায় যেসব পচা ইট দিচ্ছে তাতে এই রাস্তা বেশিদিন টিকবে না। কিছুদিন আবার আগের মতো কাদায়ই মাড়াতে হবে। তাছাড়া রাস্তার কাজ তো আগাচ্ছেই না। সেই একবছরে বেশি সময় হলো তাও এইটুকু রাস্তার কাজ শেষ করতে পারেনি। ঠিকাদার মো. জালাল আহমেদের সঙ্গে কথা বলার জন্য তার ফোনে কল করা হলে, সে রিসিভ করেনি। উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, কাজের মানের কোনো সমস্যা নাই। ঠিকমতোই কাজ হচ্ছে।  উপজেলা প্রকৌশলী চন্দন কুমার বলেন, কাজের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হলে তা সরিয়ে দেয়া হবে।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ আল মামুন