ইউপি চেয়ারম্যান থেকে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
দৈনিক বিজয় নিউজ গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা ছিলেন, সেখান থেকে নাটকীয় মনোনয়ন পেয়ে ছাত্রনেতা থেকে পরিণত জননেতা, হয়ে গেলেন সংসদ সদস্য। সাফল্যের সিঁড়ি এত সহজ ছিল না তার। বলছি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম-এর কথা। ছাত্রদল নেতা থাকা অবস্থায় মাত্র ২৩ বছর বয়সে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তারপর উপজেলা চেয়ারম্যান, এরপর সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য, তারপর প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ শিবগঞ্জ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে এবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। মীর শাহে আলম বগুড়া-২ আসনে ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি ১৯৯৭ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে শিবগঞ্জ উপজেলার আটমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়ার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশক্রমে এবং ওনার পরামর্শ নিয়ে যতটুকু করার তা আমি করব ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর ধরেই তো বগুড়া অবহেলিত। আমরা চেষ্টা করব পিছিয়ে পড়া জায়গাগুলো চিহ্নিত করে কাজ করার। সেই সাথে অন্য জেলাও যাতে পিছিয়ে না পড়ে সেটাও দেখতে হবে। শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল ওহাব বলেন, ৩১ বছর পর বগুড়ায় মন্ত্রী হিসেবে আমাদের নেতা মীর শাহে আলমকে মনোনীত করায় দলের প্রধান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। শিবগঞ্জের সাধারণ মানুষরা বলছেন, অবহেলিত বগুড়ার মানুষের জন্য ১৭ বছর পর নতুন আলোকবর্তিকা হয়ে উঠবেন মীর শাহে আলম। তারেক রহমান বগুড়ার মানুষকে বাড়ির মানুষ মনে করেন, পরিবারের মানুষ মনে করেন। তাইতো বগুড়ার মানুষ তাকে ৭টি আসন উপহার দিয়েছে, আর তিনি আমাদের মন্ত্রী উপহার দিলেন।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ সাজাদুর রহমান সাজু