দায়িত্বের শিকলে বন্দী, নইলে অনেক আগেই নীরবতা বেছে নিতাম’ জনাব জাবেদ রেজা।

দায়িত্বের শিকলে বন্দী, নইলে অনেক আগেই নীরবতা বেছে নিতাম’ জনাব জাবেদ রেজা।
ছবিঃ এম হাবিবুর রহমান রনি

দৈনিক বিজয় নিউজ নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ এবং বারবার প্রতিকূলতার শিকার হওয়া বান্দরবান জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব জাবেদ রেজা এক আবেগঘন বার্তায় নিজের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ও মানসিক অবস্থার কথা ব্যক্ত করেছেন। আদর্শ ও সততার মূর্ত প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই নেতা জানিয়েছেন, কেবল দলের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং নেতাকর্মীদের ভালোবাসার কারণেই তিনি আজও রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন। দায়িত্ব বনাম ব্যক্তিগত ইচ্ছা রাজনীতির কঠিন সমীকরণে নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছার চেয়ে আদর্শকে প্রাধান্য দিয়ে।

জাবেদ রেজা বলেন "দায়িত্বের কাছে বন্দী না থাকলে অনেক আগেই নীরবতাকে বেছে নিতাম। এখন তো চাইলেও সবকিছু নিজের মতো করে করা সম্ভব না।" তার এই বক্তব্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তি এবং ত্যাগের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি যে পরিমাণ নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন, তা সাধারণ কোনো মানুষের পক্ষে সহ্য করা কঠিন ছিল। কিন্তু কর্মীদের আস্থা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াই তাকে থামতে দেয়নি।

সততা ও আদর্শের ১৭ বছর, বান্দরবানের রাজনীতিতে জাবেদ রেজা এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। গত ১৭ বছরে শত প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা এবং জেল-জুলুম সত্ত্বেও তিনি তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি দলকে তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত করেছেন। পাহাড়ি জনপদে বিএনপির রাজনীতিতে প্রাণসঞ্চার করতে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তার সততা ও নিষ্ঠা তাকে দলের ভেতরে ও বাইরে এক বিশেষ মর্যদায় আসীন করেছে।

তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, জাবেদ রেজা কেবল একজন নেতাই নন, তিনি সংকটে তাদের প্রধান ভরসা। তার মতো একজন সৎ ও আদর্শবান নেতা যদি নীরব হয়ে যান, তবে তা জেলার জাতীয়তাবাদী শক্তির জন্য বড় ক্ষতি হবে। নেতাকর্মীদের দাবি, জাবেদ রেজার ত্যাগ ও সংগ্রামকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।দলের কঠিন সময়ে যারা হাল ধরেছিলেন, তাদের নেতৃত্বেই আগামী দিনের পথ চলতে হবে।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ এম হাবিবুর রহমান রনি