বুড়িচংয়ে পৈতৃক সম্পত্তিতে ঘর করতে বাধা তালা ভেঙে জোর পূর্বক দখলের অভিযোগ

বুড়িচংয়ে পৈতৃক সম্পত্তিতে ঘর করতে বাধা তালা ভেঙে  জোর পূর্বক দখলের অভিযোগ
ছবি: মোঃ আবদুল্লাহ

দৈনিক বিজয় নিউজ কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার ভরসার বাজারে পৈতৃক সম্পত্তিতে ঘর করতে বাধা এবং তালা ভেঙে জোর পূর্বক দখলের অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী এক পরিবার। গত ৭ মে দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ভরসার বাজারে রাস্তার পাশে ডোবা ভরাট করে পৈতৃক সম্পত্তিতে ঘর করে মো. আব্দুল কাদের সহ তারা তিন ভাই। সেখানে ঘর করতে বাঁধা দেয় বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মীর হোসেন মিঠু সহ তার ভাইয়েরা। বাঁধা অপেক্ষা করে ঘর করলে ঘরে একাধিক বার তালা ভেঙে দখলের চেষ্টা করে অভিযুক্ত জাকির হোসেন, মনির হোসেন ও নাজমুল হাসান। সেখানে কিছু ইট রেখে জোরপূর্বক দখলের পায়তারা করে মিঠু ও তার ভাইয়েরা।


আব্দুল কাদের বলেন, এটা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। ডা. মিঠু সরকারি কর্মকর্তা তাই প্রশাসনকে হাত করে এ জায়গা জোর করে দখল করতে চায়। তারা আমার ভাইয়ের উপরে হামলাও করেছে। আমাদেরকে প্রতিনিয়ত হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। আদালতে মামলা চলমান থাকার সত্যেও তারা আজকে তালা ভেঙে জোর করে দখল করতে আসছে। আমাদের আসল কাগজপত্র থাকার সত্যেও তারা জোর করে এ জায়গা দখল করতে চায়। আমি বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ করেছি। আমি প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।


অভিযুক্ত নাজমুল হাসান বলেন, এ জায়গা আমাদের কেনা জায়গা। কিন্তু এই জায়গার দলিল তাদের কাছেও আছে আমাদের কাছেও আছে। তাই পাভেল ভাই বলে দিছিলো অর্ধেক অর্ধেক নেওয়ার জন্য। কিন্তু তারা মানে না। ঐদিন মনির ভাই চেয়ার নিয়ে ভিতরে বসছিলো পরে তারা আবার চেয়ার গুলো বাহিরে ফেলে দেয়।


বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মীর হোসেন মিঠু বলেন, জায়গাটা আমার আব্বায় কিনেছে। ঐদিন নাকি আমার ভাই সেখানে গেছে শুনছি। জায়গাটা নিয়ে যেহেতু মামলা চলমান সেখানে কেউই যাওয়া ঠিক না। সমাজিক ভাবে সমাধানের জন্য কথাবার্তা চলছে। এসআই রাকিবুল হাসান জানায় বলেন, আমি এখন ট্রেনিংয়ে আছি আপনারা থানায় যোগাযোগ করেন।


বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসনাত খন্দকার বলেন মৌখিক অভিযোগ করেছে। অভিযুক্ত যেই হোক সেটা আমাদের দেখার দরকার নেই আমরা আমাদের মতো করে কাজ করবো। বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার বলেন, আমার কাছে কিছুক্ষণ আগে একটি অভিযোগ দিয়ে গেছে ডা. মীর হোসেন মিঠুর বিরুদ্ধে। আমি তদন্ত করে বিষয়টি দেখবো।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ আবদুল্লাহ