বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার অক্সফোর্ড কে,জি স্কুল /চেয়ারম্যান, অক্সফোর্ড কে,জি স্কুল
দৈনিক বিজয় নিউজ মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ
নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দেউলি ঐতিহ্যবাহী অক্সফোর্ড কে,জি স্কুলের বার্ষিক শিক্ষা সমাপনী ক্লাস পার্টি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত, কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করা হয়। ব্যান্ড পার্টির ঢাক, ঢোল ও বাসির সুরে আনন্দ মুখরিত ছিল প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি ছাত্রছাত্রী তাদের ক্লাসরুমে রংবেরঙের বেলুন ফেস্টুন দিয়ে সাজিয়েছে। মনোজ সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে নেচে গেয়ে আনন্দ উল্লাস করেন ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকরা। দেউলি বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে র্যালি প্রদক্ষিণ করে। পরে প্রতিটি শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা কেক কাটার আয়োজন করে। অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুলের ২০২৩ সালের শিক্ষা সমাপনী উপলক্ষে ক্লাস পার্টি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাষা শহীদ আবদুল জব্বার মেমোরিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব ফোরকান হাওলাদার৷ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা মৎস্যজীবী দলের নেতা ওয়াহিদুল ইসলাম শাকিল, ৪নং দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক জনাব আওলাদ হোসেন হাওলাদার, সমাজ সেবক মোঃ শহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা জনাব আবদুর রাজ্জাক, বিএনপি নেতা পলাশ হাওলাদার, হুমায়ুন মৃধা প্রমূখ।
অক্সফোর্ড কে. জি. স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্কুলের পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর মোঃ আতিকুল ইসলাম খান, শহিদুল ইসলাম হাবিব, মিজানুর রহমান বাহাদুর, আবুল আলম খান, নাসির উদ্দীন খান, আবদুস সালাম খান, ইউনুস আলী খান, আজমল হোসেন জালাল,দেলোয়ার হোসেন প্রমূখ। ভাইস প্রিন্সিপাল আরিফুল ইসলাম সোহেলের সঞ্চালনায় পরিচালিত অনুষ্ঠানের সার্বিক সমন্বয়ক ছিলেন প্রিন্সিপাল মো ঃ দেলোয়ার হোসেন। শিক্ষার জন্য এসো! সেবার জন্য বেরিয়ে যাও! এ শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে মানসম্মত শিক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ শফিকুল ইসলাম খান এর তত্বাবধানে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মানসম্মত ও মননশীল শিক্ষাদানে ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি এলাকাবাসী, অভিভাবক, ছাত্র ছাত্রী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। ২০১০ সাল হতে এ পর্যন্ত ১০৪ জন শিক্ষার্থী ৫ম শ্রণিতে বৃত্তি অর্জন করে যার মধ্যে ৬০ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে।প্রতিষ্ঠান হতে পানকৃত ছাত্র ছাত্রীরা বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে মেধার স্বাক্ষর রেখে অধ্যায়ন করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে সরকারের স্বীকৃতি লাভ করেছে এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীতকরণের চেষ্টা চলছে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ আল মামুন