চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়ন এর ৬ নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুর কেশবপুর গ্রাম একখণ্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়

চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়ন এর ৬ নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুর কেশবপুর গ্রাম একখণ্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়
ছবিঃ সংগৃহিত

দৈনিক বিজয় নিউজ প্রতিনিধিঃ

গতকাল ৩রা জুলাই ২০২৬ ইং, রোজ শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে লক্ষ্মীপুর গ্রামে মসজিদের কমিটি গঠন মসজিদের টাকা পয়সার হিসাব নিকাশ এর বিরোধ নিয়ে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। এই লক্ষ্মীপুর এবং কেশবপুর গ্রাম দুটি কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত। তবে একটি বিষয়ে সকলেই একাকার সেটা হলো রাজনীতি। যখনই যে দল সরকারে থাকে গ্রাম দুটির বিবাদমান দুইটি গ্রুপের প্রায় সকলেই পাওয়ার পার্টির ক্ষমতা ভোগ করার চেষ্টা করে, দুই একটি আদর্শিক পরিবার, এবং আদর্শিক ব্যক্তিত্ব ব্যতীত। বিগত ৫ই আগস্ট বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের পর গ্রাম দুটিতে সকলেই ক্ষমতাসীন দল বিএনপি করার চেষ্টা করিতেছে। যাহার ফলশ্রুতিতে গ্রাম দুটিতে যে কয়টি পরিবার এবং ব্যক্তিত্ব ত্যাগী বিএনপি নামে পরিচিত সে সকল ব্যক্তি এবং পরিবারবর্গ বহুল অংশে বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি। গ্রাম দুটিতে ৫ ই আগস্ট এর পর দফায় দফায় সংঘর্ষে, এ পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে এই গ্রাম দুটি  দক্ষিণ বঙ্গ চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের আঁতর ঘর নামে পরিচিত। যদিও গ্রাম দুটিতে বর্তমানে দফায় দফায় সংঘর্ষে দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে কিন্তু এক সময় আগ্নেয় অস্ত্র এর ডিপু হিসাবে পরিচিত ছিল। লক্ষণীয়  বিষয় হলো গ্রাম দুটির বহুল আলোচিত চরমপন্থী সন্ত্রাসীরা এ পর্যন্ত কেহ প্রশাসনের হাতে আগ্নেয় অস্ত্র সমর্পণ করে নাই। বর্তমানে গ্রাম দুটির মধ্য দিয়ে বয়ে চলা প্রধান প্রধান পাকা সড়ক ও গ্রাম দুটির পার্শ্ববর্তী প্রধান পাকা সড়ক সন্ধ্যার পরে জনশূন্য হয়ে পড়ে, চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের আনাগোনা এবং চলাফেরার কারণে। এ সকল গ্রামের এবং এলাকা মূল সমস্যা হল চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বিস্তার, এবং ক্ষমতা ধরে রাখা। এলাকার সুধীজনরা মনে করেন গ্রাম দুটিতে যদি শান্তি ফিরিয়ে আনতে হয় নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনলেই সেটা সম্ভব। ১। আশরাফুল, পিতা হাবিবর, ২। মঞ্জিল, পিতা মাওলা বক্স, ৩। ইমাদুল, পিতা রুহুল আমিন,  ৪। চেংগীস, পিতা মোবারক,  ৫। মিনা মোল্লা, পিতা মনছের মোল্লা, ৬। সানিম, পিতা চেংগীস, ৭। সামছুল, পিতা দীন মোহাম্মদ, ৮ অপু মাস্টার, পিতা আনিস উদ্দিন, গ্রাম দুটিতে মূলত এ সকল নতুন পুরাতন চরমপন্থী সন্ত্রাসী দের কারণেই ৫ই আগস্ট এর পরে দেড় শতাধিক মানুষ মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে কয়েক দফা সংঘর্ষ। আশপাশের এলাকার সুধীজন ও বুদ্ধিজীবীদের আশঙ্কা,  এ পর্যন্ত প্রশাসন কোন দৃশ্যমান কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই, এ সকল সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। আগামীতে যদি প্রশাসন কোন কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, অতি শীঘ্রই গ্রাম  দুটিতে হত্যাকাণ্ড পাল্টা হত্যাকান্ড ঘটবে, যাহা পুরো ইউনিয়নে ছড়িয়ে পড়বে। দক্ষিণবঙ্গ আবারো চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য তে পরিণত হবে।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ ইডি