দিনাজপুরজেলা চিরির বন্দর উপজেলা আমেনা বাকীতে বিজ্ঞান মেলায় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান মনস্ক একাধিক গ্রন্থের রচয়িতা, পদার্থবিদ, অধ্যাপক ডঃ জাফর ইকবাল।

দিনাজপুরজেলা চিরির বন্দর উপজেলা  আমেনা বাকীতে বিজ্ঞান মেলায় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান মনস্ক একাধিক গ্রন্থের রচয়িতা, পদার্থবিদ, অধ্যাপক ডঃ জাফর ইকবাল।
ছবিঃ মোঃ আতিউর রহমান

দৈনিক বিজয় নিউজ দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

রাজধানী ঢাকা থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে এক উপজেলা, সেখানে গড়ে ওঠা এক স্কুলে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। বিজ্ঞানের উপর অসমান্য দক্ষতা আর নুতন কিছু সৃষ্টির চেষ্টা দেখে হতবাক বিজ্ঞানী নিজেই। প্রায় ২০ টি স্টল সাজিয়ে একটি মফস্বল এলাকার শিক্ষার্থীরা আবিস্কার যুদ্ধে অংশ নেন ঢাকার নামকরা স্কুলের সাথে। হার না মানা এসব তরুণদের আবিস্কার দেখতে সূদুর ঢাকা থেকে চলে আসেন দেশের সেরা বিজ্ঞান মনস্ক একাধিক গ্রন্থের রচয়িতা, পদার্থবিদ, অধ্যাপক ডঃ জাফর ইকবাল। বিজ্ঞান মনস্ক একাধিক গ্রন্থের রচয়িতা, পদার্থবিদ, অধ্যাপক ডঃ জাফর ইকবাল। দেশসেরা কার্টুনিস্ট গল্পকার উদ্মাদ এর সম্পাদক, প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদ ও ডঃ জাফর ইকবাল এর আপন অনুজ আহসান হাবিব তো ফিরে গেছেন হারিয়ে ফেলা দূরন্ত কৈশরে।বললেন এত অল্প সময়ে এমন আয়োজন দেখে সত্যি বক্তব্য মনে করতে পারছি না।নিজের ছেলে বেলায় হারি য়ে ফেলেছেন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অল্প বয়সী ছেলেদের এমন সব আবিস্কার দেখে পাশে বসে থাকা ভদ্রলোক বিজ্ঞানীকে বলেই ফেললেন এখান থেকেই অনেক কিছু শিখতে পারো?

শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক অধ্যাপক এই মহীয়সী নারী হলেন ডঃ জাফর ইকবালের সহধর্মিণী সুফিয়া হায়দার। গতকাল শনিবার আমেনা বাকি রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের মাঠে আয়োজিত বিজ্ঞান মেলায় স্টল গুলো দেখেই বোঝা যায় ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের আবিস্কারের এ নেশা একদিন জাতীয় পর্যায়ে হইচই ফেলবে। সব মিলিয়ে চমৎকার একটি আয়োজন, বিশাল পরিসরে নিজকে মেলে ধরার সুযোগ পেয়েছিলো আমেনা বাকি স্কুল এন্ড কলেজের ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা। পরিশেষে প্রানবন্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয় আজকের আয়োজন। স্কুলের শতাধিক ছোট বিজ্ঞানীরা কল্পনা নয় বাস্তবে আজ হাতের কাছে নিজের চোখে দেখা পান বিজ্ঞানীকে। হাজারো শিক্ষার্থী যারা এতদিন পড়ে এসেছে বিজ্ঞানের কল্পকাহিনি তারা আজ বাস্তবে দেখা পান গল্পের নায়ক কে। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডাঃ অধ্যাপক আমজাদ হোসেন শত ব্যাস্ততার মাঝেও বিখ্যাত ব্যাক্তিদের প্রতিষ্ঠানে নিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের বড় হবার স্বপ্ন দেখান। শুধু বইয়ে পড়া কাল্পনিক গল্প যেন কল্পনার রাজ্য ভেদ করে বাস্তবে প্রতিফলন হয় সে প্রচেষ্টা তিনি অব্যাহত রাখবেন বলে আশ্বাস দেন।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ আতিউর রহমান