ঘুমধুম সীমান্তে যা হচ্ছে
দৈনিক বিজয় নিউজ প্রতিনিধীঃ
বুধবার বিকেল তিনটা নাগাদ ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু গ্রাম থেকে বিবিসি সংবাদদাতা মুকিমুল আহসান জানান, বর্তমানে সীমান্তে গোলাগুলি হচ্ছে না। কিন্তু তারপরও স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক কাজ করছে এবং অনেক গ্রামবাসী বাড়িঘর ছেড়েছে। সাধারণত ঘুমধূমের বাজার অত্যন্ত জনাকীর্ণ থাকলেও এখন অনেকটা ফাঁকা। মুকিমুল আহসান জানাচ্ছেন, “এখন পর্যন্ত এই গ্রামের অন্তত ১০টা বাড়িতে গেছি আমরা। একেকটা বাড়িতে দুই থেকে তিনটা করে ঘর। কিন্তু সেই ঘরগুলো এখন জনমানবশূন্য হয়ে পড়ে আছে।” “কোনও কোনও বাড়িতে দুই একটা গবাদি পশু ও সেই বাড়ির পুরুষ সদস্যদের দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেটার সংখ্যাও খুবই কম। তাদের সাথে কথা বলে জেনেছি, দিনের বেলা কেউ বাড়িতে থাকছে না।” বিবিসি সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, “এপাশ থেকে মনে হচ্ছে, ওপারের ক্যাম্পগুলো মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী দখল করে নিয়েছে। সেজন্যই সীমান্তের ওপাশে গোলাগুলি হচ্ছে না এবং সবকিছু অনেকটাই শান্ত।” ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান যে সীমান্তের ওপাশে গোলাগুলি বন্ধ হওয়ায় বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই একটা পরিবার বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। “চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আজকে সকালের পর থেকে কেউ কেউ আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকে আবার নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে চলে যাচ্ছে।” তবে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও আশ্রয়কেন্দ্র থেকে কোনও কোনও পরিবার বাড়ি ফিরে আসছে, তার কারণ হলো আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে থাকার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা বা সুযোগ নেই। এছাড়া, সীমান্তের অস্থিরতার জন্য যে পাঁচটি স্কুল বন্ধ করা হয়েছিলো। সেগুলো বন্ধই আছে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ই