কিউএস র্যাঙ্কিং ২০২৬: গবেষণা ও গুণগত উন্নয়নে ধীরে ধীরে অগ্রসর পাবিপ্রবি
দৈনিক বিজয় নিউজ পাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) প্রতি বছর বিশ্বের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন বিষয়ে র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে কিউএস গ্লোবাল র্যাঙ্কিং ২০২৬। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় এবার কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ স্থান পেয়েছে। তবে তালিকায় এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান পায়নি বাংলাদেশের কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ৪ নভেম্বর প্রকাশিত এই তালিকায় মোট ১ হাজার ৫২৯টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), যার অবস্থান ১৩২তম। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। অন্যদিকে, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) এর অবস্থান ১২০০–১৩০০-এর মধ্যে। বিশ্ববিদ্যালয়টির এ অর্জনও একটি ইতিবাচক সূচক বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
ঢাবি বা বুয়েট রাতারাতি এই অবস্থানে পৌঁছেনি—এর জন্য দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়েছে। তেমনি পাবিপ্রবিও ধারাবাহিক উন্নতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক—যেকোনো অর্জনই প্রশংসনীয়। বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু গবেষণায় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উন্নত দেশগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই অনেক নীতি প্রণয়ন করা হয়, যা সরকার বাস্তবায়ন করে। তবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে এখনো এই সমন্বয়ের অভাব লক্ষ্য করা যায়। তবুও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আওয়াল মনে-প্রাণে (heart and soul) চেষ্টা করছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি ক্ষেত্রে গুণগত উন্নয়ন ঘটাতে। শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন ও সহশিক্ষা—প্রত্যেক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টি ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে অগ্রসর হচ্ছে। সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের এই আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে শিগগিরই পাবিপ্রবি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও বেশি সুনাম অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ ভাস্কর চন্দ্র রায়