পার্বতীপুরে ৬ বছরের এক মাদরাসা ছাত্র মোস্তাসির রহমান মাহির (৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ!
দৈনিক বিজয় নিউজ দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
শিশুকে পাখি দেওয়ার প্রলোভনে শ্বাসরোধে হত্যা মাদরাসা শিক্ষার্থী এক শিশুকে পাখি দেওয়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশ থেকে ৬ বছরের এক মাদরাসা ছাত্র মোস্তাসির রহমান মাহির (৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে দর্গাপাড়া ফাজিল মাদরাসায় পড়ত,তার রোল নম্বর ২ মাহির পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্যদর্গাপাড়া গ্রামের মোমিনর রশিদের ছেলে বলে জানা যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্যদর্গাপাড়া মাদরাসার পিছনে ঝোপঝাড়ে নিয়ে গিয়ে হ*ত্যা করেন বলে নিহত বাহিরের বাবা মমিনুর রশিদ জানা যায়। পাখি দেওয়ার কথা বলে বাড়ী থেকে মাহিরকে ডেকে নেয় প্রতিবেশী নুর আলমের ছেলে মোস্তফা মোহন। পাখি দেওয়ার পর কৌশলে মাহিরকে মাদরাসার পিছনে ঝোপঝাড়ে নিয়ে গিয়ে প্রথমে চড় থাপ্পর দিয়ে গলা ধরে আছার দেয়, পরে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে এবং কাদা দিয়ে মুখে মাটি ঢুকিয়ে দিয়ে হ*ত্যাকরে ।
পুলিশেকে দেয়া স্বীকারোক্তি মতে ওইদিন মাহিরকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজিতেও অংশ নিয়েছিল অভিযুক্ত মোস্তফা মোহন। পাখি দেয়ার কথা বলে ১৫ দিন আগে বাড়ীর গাছের বড়ই নেয় মোহন। গত বুধবার পাখি না দিয়ে পাখি ডিম দেয় মোহন। বৃহস্পতিবার বড় পাখি দেয়ার কথা বলে বাড়ী থেকে ডেকে নেয় মোস্তফা মোহন। তার দুই ছেলে বড় ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক (১০) ওই মাদ্রাসা ৪ শ্রণিতে পড়ছে। গ্রামবাসীরা জানান, অনেক খোঁজাখুঁজি পর বিকেলে স্থানীয়রা মাদ্রাসার পিছনে ঝোপঝাড়ে মাহির লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। শুক্রবার (১০) সকালে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, মাহির জ্বর নিয়ে মাদরাসার আসলে তাকে দুপুরে ছুটি দেয়া হয়েছিল, মাদরাসার সাথেই মাহির বাড়ী। এ ব্যাপারে পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, অভিযুক্ত মোস্তফা মোহনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত রহস্য উদঘাটন চলছে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ আতিউর রহমান