নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে হচ্ছে, ঘাবড়াবার কিছু নেই; আমীর খসরু
দৈনিক বিজয় নিউজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হচ্ছে এবং এ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সবাই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বরিশাল বিভাগীয় ব্যবসায়ী ফোরাম মেলাটির আয়োজন করে। বর্তমান সরকার সম্পর্কে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এই সরকার একটি সাময়িক সরকার। নির্বাচিত সরকার গঠিত হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে। সে লক্ষ্যে আমরা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে প্রথম দিন থেকেই ব্যবসায়ীদের পাশে থাকতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, ‘অর্থনীতি আগে কিছু গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। বিএনপি এটিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায়। অর্থনীতিকে গণমুখীকরণের অংশ হিসেবে আমরা প্রতিটি বিভাগে সরাসরি যোগাযোগ করছি। বিশেষ করে কুটির শিল্প ও হস্তশিল্প খাতকে পুনরুজ্জীবিত করে অর্থনীতির মূল ধারায় সম্পৃক্ত করা হবে।’ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘একটি গ্রামে একটি পণ্য তৈরি হবে। আমরা আমাদের হারিয়ে যাওয়া হস্তশিল্পগুলো পুনরুদ্ধার করে অর্থনীতির মূল স্রোতে নিয়ে আসতে চাই। উপযুক্ত সহায়তা পেলে উৎপাদন ও আয় বাড়বে।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে মেলার পাশাপাশি বিকেলে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগীয় ব্যবসায়ী ফোরামের পাঁচ শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
মেলা উদ্বোধনের পর আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিভাগের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ফরচুন শুজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খান, শেখ আবদুর রহিমসহ বিভিন্ন বাণিজ্য সংস্থার নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মেলায় অংশগ্রহণকারী ঝালকাঠির শীতলপাটি শিল্প যুবক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বাবুল দত্ত বলেন, ‘এ ধরনের মেলার মাধ্যমে আমাদের পণ্যের প্রচার ও প্রসার বাড়ে। ভবিষ্যতে আরও বেশি此类 মেলার আয়োজন করা প্রয়োজন।’‘হোম ফুড’-এর উদ্যোক্তা আনজুমান বেগমের মতে, বিভাগীয় পর্যায়ে এ ধরনের আয়োজন বাড়লে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাত আরও গতিশীল হবে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ নাঈম আহমেদ