চুয়াডাঙ্গা জেলায় অদৃশ্য শক্তির বলে ধরাছোঁয়ার বাহিরে তিন জেলার মোহনাতে মাদক সম্রাট ইমাদুল

চুয়াডাঙ্গা জেলায় অদৃশ্য শক্তির বলে ধরাছোঁয়ার বাহিরে তিন জেলার মোহনাতে মাদক সম্রাট ইমাদুল
ছবিঃ ইমাদুল

 দৈনিক বিজয় নিউজ চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:

ইমাদুল, পিতা রুহুল আমিন, গ্রাম লক্ষীপুর কেশবপুর। কুষ্টিয়া চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুর, এই তিন জেলার সংযোগস্থল হাটবোয়ালিয়া, বড় বোয়ালিয়া, কেশবপুর, লক্ষ্মীপুর প্রাগপুর,ওসমান পুর, ঝুটিয়া ডাঙ্গা, আসাননগর, ভোলাডাঙ্গা, মানিকদিয়া ইত্যাদি গ্রামগুলো তিনটি জেলার সংযোগস্থল বা মোহনা। এই সকল গ্রামগুলোতে অবস্থান করে ইমাদুল গড়ে তুলেছে আলমডাঙ্গা উপজেলা, মিরপুর উপজেলা  এবং  গাংনী উপজেলাতে মাদকের অভয়ারণ্য। সাবেক এই যুবলীগ নেতার অপরাধের বয়ান লিখে শেষ করার মত নয়, ইতিমধ্যেই মাদক, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, বোমাবাজি এবং ডাকাতির অভিযোগে ১৪/১৫ টির অধিক মামলা চুয়াডাঙ্গা জেলা আদালতে চলমান। সাম্প্রতি বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আলমডাঙ্গার নেতা জিল্লুর রহমান ওল্টুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এলাকাতে মাদক ব্যবসা জোরদার করেছে। বিগত হাসিনা  সরকারের সময়, ইমাদুল, পিতা রুহুল আমিন, আশরাফুল, পিতা হাবিবুর, শামসুল, পিতা দ্বীন মোহাম্মদ, চেঙ্গিস, পিতা মোবারক, মঞ্জিল, পিতা মওলা, এই সকল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ইমাদুল ও আশরাফুল এমন কোন অপরাধ নেই যে তাহারা করে নাই। এই সকল আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ বিগত ৫ আগস্ট এরপর কিছুটা নিষ্ক্রিয় ও পালাতক  থাকলেও বর্তমানে ভয়ংকর রূপে ফিরে এসেছে এলাকাতে। ইতিমধ্যেই এলাকাতে কয়েক দফা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মীকে মারাত্মকভাবে জখম করেছে। এ সকল ঘটনায় এই সকল আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে একদিনও জেল খাটতে হয় নাই। কারণ হিসেবে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই সকল সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের সংগঠক হিসাবে কাজ করতেছেন অপু মাস্টার, পিতা আনিস উদ্দিন, গ্রাম কেশবপুর। অপু মাস্টারের আপন ভাইরা ভাই বাংলাদেশ পুলিশের এসপি পদমর্যাদার অফিসার। এলাকার জনগণের অভিযোগ এই অপু মাস্টার, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের তাহার ভাইরা ভাইয়ের মাধ্যমে সকল কিছু ম্যানেজ করিতেছে, যাহার কারণে এলাকাতে অবাধে মাদক কারবারি এবং সন্ত্রাসীরা এই ধরনের কর্মকাণ্ড করার পরেও তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। এবং তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিতেছে না। অপু মাস্টারের এসপি ভাইরা ভাইয়ের বিসিএস কোর্স মেট, বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলার ঊর্ধ্বতন একজন পুলিশ কর্মকর্তা আছেন, তাহার মাধ্যমেই সবকিছু ম্যানেজ করিতেছেন অপু মাস্টার। চুয়াডাঙ্গা জেলার ওই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশেই, এলাকার  পুলিশ ক্যাম্পগুলো নিরব দর্শকের ভূমিকা অবতীর্ণ থাকেন বলেই এলাকার জনগণের অভিযোগ। এলাকার  সুধীজনদের অভিমত পুলিশ দুই এক জন মাদক সেবীকে গ্রেপ্তার করলেও মাদকের ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিতেছে না। এই অবস্থা যদি চলতে থাকে সরকার এবং বিএনপি চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে জনসমর্থনের দিক দিয়ে।

দৈনিক বিজয় নিউজ/  ইডি