বগুড়ায় মিশরীয় কটন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চিফ রিসার্চারের গাক পরিদর্শন : দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্ভাবনা পর্যালোচনা

বগুড়ায় মিশরীয় কটন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চিফ রিসার্চারের গাক পরিদর্শন : দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্ভাবনা পর্যালোচনা
ছবিঃ এম এ খালেক

দৈনিক বিজয় নিউজ প্রতিনিধি:

মিশরের অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ সেন্টারের (এআরসি) অধীনস্থ কটন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তুলা প্রজনন ও জিনতত্ত্ব বিভাগের চিফ রিসার্চার ড. আহমেদ মোহাম্মদ আবদেলমঘনি আবদেলবাকি বগুড়ায় দেশের শীর্ষ স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ তিনি এই সরকারি সফরে আসেন। সফর উপলক্ষ্যে বগুড়ার বনানীতে অবস্থিত ‘গাক টাওয়ার’-এর বোর্ড রুমে গাকের ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সাথে এক দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল ড. আবদেলবাকিকে গাকের প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য, চলমান উন্নয়ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা এবং ভবিষ্যতে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা। আলোচনা সভায় গাকের পক্ষ থেকে তাদের বহুমুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা, কৃষি উন্নয়ন, জীবিকা উন্নয়ন এবং সামাজিক ক্ষমতায়নমূলক উদ্যোগসমূহ বিশদভাবে উপস্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও প্রতিকূল পরিবেশসহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যৌথ কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং উন্নত ফসল উৎপাদন পদ্ধতির প্রসারে একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গাকের উপদেষ্টা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের সভাপতি ড. মোস্তাফিজুর রহমান, গাকের সিনিয়র ডাইরেক্টর ড. মো. মাহবুব আলম, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) প্রকৌশলী মো. হায়দার আহমেদ, রাজশাহী উইমেনস কলেজের প্রভাষক রুনা আক্তার, গাকের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রাজিয়া সুলতানা, ডেপুটি ডাইরেক্টর মো. আরমান হোসেন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর মো. জিয়া উদ্দিন সরদার প্রমূখ।বৈঠকে ড. আবদেলবাকি বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি খাতের অগ্রগতিতে গুকের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে উভয় পক্ষ যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ এম এ খালেক খান