সাভারে চলছে লাইসেন্স বিহীন ভেজাল ও ২ নম্বর খাদ্য
দৈনিক বিজয় নিউজ সাভার প্রতিনিধিঃ
সাভারে ভেজাল দুই নম্বর চিপসের ডিলার মো: আরিফ। রংপুর নীল ফামারীর থেকে এসে ঢাকা সাভার নামাগেন্ডা মাঝির মোড়ে পটেটো চিপস্ সের ডিলার শীপ এনে সাভার ও সাভার উপজেলার সর্বএ স্থানে দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করে আসছেন এই দূরনীতিবাজ আরিফ। এর মেইন কারখানা শেফ ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ কানাইপুর,ফরিদপুর ৭৮০১_ থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের এই ভেজাল খাদ্য সামগ্রী বিক্রি করেন। এবং মেইন মালিকের নাম মো: আতিকুর রহমান। প্যাকেটে নেট ওজন দেওয়া আছে ২৩গ্রাম b আবার অপজিটে একটি চিল মেরে নেট ওজন দেওয়া আছে ১৮ গ্রাম b । তবে যে টা ওজন দেওয়া তার মধ্যে ৩/৪ গ্রাম প্রতিটি প্যাকেটে আছেতা ও নষ্ট চিপস্ প্যাকেটে । আর প্যাকেটে যাহা আছে সবই নষ্ট, জাল জাল যেনো মনে হয় পোকামাকড়ে খেয়ে ফেলেছে।এবং পুরো চিপস্ ই খেতে গেলে টক লাগে। যাহা খাওয়া একেবারেই মানুষের অনুকুল । চিপস্ হচ্ছে ছোট বড় সবারই একটা মুখরোচর খাবার ।
চিপস্ বড়দের থেকে ছোটদের খাদ্যের চাহিদা বেশী এই দুই নম্বর ভেজাল খাদ্য খেলে যে কোনো শিশু অসুস্থ হয়ে যাবে, এমন কি এতে মৃত্যুর সম্ভাবনাও রয়েছে । গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব মূসক (ভ্যাট) অনুবিভাগ সম্মাননা পএ পেয়ে সাড়া বাংলাদেশ ব্যাপি চালিয়ে যাচ্ছেন ঝমঝমাট ভাবে এই ভেজাল খাবার। নেই কোনো লাইসেন্স সরকারি রেজিস্ট্রি নম্বর তবে কি ভাবে চালাচ্ছেন এই কারখানা। ডুকুমেন্টস দেখতে চাইলে, মো: আতিকুর রহমান দেখাতে ব্যর্থ হন। যদিও কোনো ডুকুমেন্টস থাকে তবে সরকার থেকে কখনো অনুমতি দিবেন না _ এই দুই নম্বর ভেজাল খাদ্য তৈরির জন্য ।সুশীল সমাজ ও রাষ্ট্রের গণ্যমান্য ও ন্যায় নীতি মানুষ গুলো এগিয়ে আসুন এই ভেজাল খাদ্য ও এই সব দূরনীতি বাজদের প্রতিরোধ করুন, এবং এদের ধরে প্রশাসনের কাছে হস্তক্ষেপ করুন। সরকারের দৃষ্টি আর্কষণ করছি, এই সকল চিপস্ যাহা খেলে মানুষের মৃত্যুর অনিবার্য ঐ সকল খাদ্য একেবারে বন্ধ করে দিন। এবং যে সকল লোকজন ভেজাল খাদ্য উৎপাদন করে ও ডিলার হিসাবে বিভিন্ন মার্কেটে মার্কেটে বিক্রি করে তাদের কে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেন।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ ইমরান মোল্লা