নরসিংদীতে পিতাকে নির্মম নির্যাতন, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পিতার অর্থ আত্মসাৎ

নরসিংদীতে পিতাকে নির্মম নির্যাতন, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পিতার অর্থ আত্মসাৎ
ছবি: মোঃ এমরুল ইসলাম

দৈনিক বিজয় নিউজ মনোহরদী নরসিংদী প্রতিনিধিঃ

শুক্রবার (৭ জুন) নরসিংদী সদর উপজেলার ভেলানগর ১নং ওয়ার্ড এন কে এন স্কুল এন্ড হোমস এর পশ্চিম গেইট সংলগ্ন খন্দকার মফিজুল ইসলাম (মাহাবুব মাষ্টার)কে নির্মম নির্যাতন, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সকল অর্থ ও বাড়ি ঘর সম্পত্তি আত্মসাৎ এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিগত ২ ফেব্রুয়ারি খন্দকার মফিজুল ইসলাম( মাহাবুব মাষ্টার) এর আত্মীয় স্বজন ও তার মেয়ে খন্দকার মিরাজ, খন্দকার মাহাবুবা ইসলাম, মামা বাকিউল্লাহ,খালা মিলি,খালু সৈয়দ শাহীন সহ আরো অনেক সন্ত্রাসীরা মিলে ষড়যন্ত্র ও জিম্মি করে পাঁচতলা ফাউন্ডেশন ব্রিডিং এর তিন তলা নির্মাণ সম্পন্ন করা বাড়ি কিছু অংশ হেবা দলিলের মাধ্যমে জোরপূর্বক প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে লিখে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং খন্দকার মফিজুল ইসলাম এর স্ত্রীর পেনশনের ৩০ লক্ষ  টাকা মেয়ে খন্দকার মিরা ও খন্দকার খুকুমণি জিম্মির মাধ্যমে পাওয়ার নিয়ে সমস্ত টাকা উঠিয়ে নেন। তারপর গত ৩১/০৫/২০২৪ই তারিখ খন্দকার মফিজুল ইসলামকে মেয়ের শীলতাহানির একটি মিথা মামলা বানোয়াট নাটক সাজিয়ে তাকে শূন্য হাতে রাতের আঁধারে জোরপূর্বক প্রাণনাশের হুমকি ও মারধর করে বাসা থেকে বাহির করে দেয়,পিতা  লজ্জা ও অভিমান নিয়ে কিছু না বলে বাসা ছেড়ে চলে যান। মেয়েরা তাতেও দমেনি পিতার বিরুদ্ধে নরসিংদী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করেন।

 
পিতা নিরুপায় হয়ে আদালতে কাঠগড়ায় দাঁড়ান, মহামান্য আদালত তাকে না আটক না দেখিয়ে জামিন মঞ্জুর করে। মেয়েরা লজ্জায় আদালতে হাজির হয়নি। খন্দকার মফিজুল ইসলামের অভিযোগ আমার বাড়ি আমার ঘর আমাকে বাসায় ডুকতে দিচ্ছেনা এবং আমাকে দিনরাত রাস্তায় কাটাতে হচ্ছে ভাগ্যের কি নির্মম ইতিহাস। খন্দকার মফিজুল ইসলাম আরো বলেন আমার বাসায় সবসময়ই ভিতরে বাহিরে তালা লাগিয়ে রাখে। যাতে আমি ডুকতে না পারি। কিছু মানুষ আমাকে বলছে আপনার বাসায় বহিরাগত ছেলে মেয়েদের আনাগোনা ও যাতায়াত আছে। আমার ধারণা আমাকে বাহির করে তারা স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করছে ও বিভিন্ন ধরণের সুবিধা নিচ্ছে। মানুষ বলেছে ছেলে মেয়েদেরকে মানুষ করতে পারনি কেন। তারা যেভাবে চলছে এটা কোন মানুষের ভিতরে পরে না,তাহারা সারাদিন রাত বাসায় তালা ঝুলিয়ে বহিরাগত লোকজন নিয়ে নেশার আসর জমায়। আমি খন্দকার মফিজুল ইসলাম অনেক কষ্টের মাঝে দিনাতিপাত করছি। খেয়ে না খেয়ে বেঁচে  আছি এমন অবস্থায় আমি নিরুপায় হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় তাদের বিরুদ্ধে ৩১/০৫/২০২৪ তারিখে একটি অভিযোগ দাখিল করি। পাঁচ ছয় দিন নরসিংদী মডেল থানায়  ঘুরে গত ৫/০৬/২০২৪ ইং তারিখ বুধবার রাতের বেলা ৮:৩০ মিনিটে এ,এস,আই আসীম আকরাম বাদীকে সরিয়ে কৌশলে বাসার ভিতর ডুকে ভিতরে তালা বন্ধ করে দেন। এবং ডি,এস,বি অফিসার আদনান এর সাথে তার মুঠোফোনে দীর্ঘ সময় আলাপ হয় তার। খন্দকার মিরাজ ও খুকুমণি সাথে আদনানের সবসময় যোগাযোগ আছে আমার ধরনা করছি।

এ ছাড়াও ডি এস বি অফিসার আদনানের সাথে সব বিষয়ে আমার আলাপ আলোচনা হয়েছে বলে জানান খন্দকার মিরা। তারপর আমি শত চেষ্টা করেও ডুকতে না পেরে হতবাক হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকি। প্রায় ১:৩০ ঘন্টা পর বাহির হয়ে আমার বিস্তারিত বলে চলে যান পুলিশ। ডিএসবি আদনান আরো বলেন,পুলিশ আমি আপনাকে বাসা উঠিয়ে দিতে আসেনি,আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি। খন্দকার মফিজুল ইসলাম  বলেন,আমি আইনের মাধ্যমে সহযোগিতা চেয়ে বার বার ব্যর্থ হয়েছি। নিরুপায় হয়ে সকল  সাংবাদিকদের প্রতি সহযোগিতা  কামনা করছি।আবারও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেখিয়ে,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সঠিক তদন্ত করে আমাকে আমার বাসায় উঠিয়ে দিতে সাহায্য প্রার্থনা করি।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ এমরুল ইসলাম