নরসিংদী চেম্বারের সাবেক সফল প্রেসিডেন্ট মোঃ আলী হোসেন শিশির এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নিন্দার ঝড় মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা

নরসিংদী চেম্বারের সাবেক সফল প্রেসিডেন্ট   মোঃ আলী হোসেন শিশির এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে নিন্দার ঝড় মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান সর্বস্তরের ব্যবসায়ীরা
ছবি: আবু নাঈম রিপন

দৈনিক বিজয় নিউজ শিবপুর নরসিংদী প্রতিনিধিঃ

নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সফল প্রেসিডেন্ট মোঃ আলী হোসেন শিশির cip বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। এসব মামলাকে ঘিরে নরসিংদীসহ পুরো জেলায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ব্যবসায়ী মহল, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ও সুশীল সমাজের একাংশ এ ধরনের মামলাকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক বলে অভিহিত করেছেন।

আলী হোসেন শিশির নরসিংদী চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সাফল্যের ইতিহাস রচিত হয়েছে। তার সততা, ন্যায়পরায়ণতা, এবং ব্যবসায়িক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার কারণে তিনি জেলার একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনীতি পট পরিবর্তনের পর উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে কতিপয় স্বার্থানেষী মহল।

নরসিংদীর সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ী মহল মনে করছেন, আলী হোসেন শিশিরকে পরিকল্পিতভাবে হেয় করার জন্য এ ধরনের মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে। তারা এসব মামলার দ্রুত তদন্ত করে সঠিক তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। মামলার এ ধারাবাহিকতায় তার পরিবারও চরম মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে। এই ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত এসব মামলার প্রত্যাহার দাবি করেন নরসিংদীর সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ ।

এই ঘটনায় নরসিংদীর রাজনৈতিক অঙ্গনেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য এমন ষড়যন্ত্রমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মোঃ আলী হোসেন শিশির সিআইপির বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন সর্বস্তরের ব্যবসায়ীবৃন্দ ।এ ব্যাপারে তারুণ্যের অহংকার মোহাম্মদ আলী হোসেন শিশির সিআইপি জানান আমি জীবনে কোন দিন বিএনপি - জামাত এর নেতাকর্মীসহ কারও নামে ই মামলা করাতো দূরে থাক, একটি জিডিও করিনি, আমার নামেও আমার ৪৫ বছর বয়সের জীবনে কেউ কোনদিন মামলা করা তো দূরে থাক,, জিডিও করেনি।

বিএনপি -জামাত এর নেতাকর্মীর সহ কোন মানুষকে পুলিশ/ প্রশাসন দিয়ে হয়রানি করেছি,,, এমন কথা নরসিংদী জেলাবাসী কেউ বলতে পারবেনা। দল মত নির্বিশেষে সকল মানুষের সাথে মিলেমিশে আমার এ টুকু জীবন কাটিয়েছি,মানুষকে সম্মানের সাথে কথা বলতে শিখেছি, সম্মান করতে শিখেছি। অথচ আজকে আমাকে হত্যা মামলার মিথ্যা আসামি করা হলো,,,, কি কারনে করা হলো সেটাও আমি জানিনা!

বিগত দ্বাদশ জাতীয় স;সদ নির্বাচনের পূর্ব থেকেই, আমি নরসিংদী ও মাধবদীতে আসা কমিয়ে দিয়েছিলাম। ২/৩ মাস পর পর ১ বার আসতাম। জেলায় আমার কোন দলীয় কোন পদবীও নেই। আর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের এই সময়টুকুতে জুলাই-আগস্ট মাসে আমি পুরোটা সময়ই ঢাকা ছিলাম। নরসিংদীতে ই আসিনি। অথচ আজকে নরসিংদী, মাধবদী শিবপুর, সহ পুরো জেলার ছাত্র-জনতার আন্দোলনের হত্যা মামলায় আমার নাম দিয়ে দেয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। যেখানে আমি জীবনে বিএনপি-জামাতের কর্মীসহ কারও নামে একটি জিডিও করিনি, মামলা করার তো প্রশ্নই আসে না,,, সেখানে আমাকে হত্যা মামলার মিথ্যা আসামি করে দেয়া হচ্ছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য।

আমি বি এনপি - জামাতের সম্মানিত জেলা নেতৃবৃন্দের প্রতি বিনয়ের সহিত অনুরোধ করব, এ আন্দোলন সংগ্রামে আমি উপস্থিত ছিলাম, এমন প্রমাণ যদি কেউ দিতে পারেন,,, ভিডিও ফুটেজ অথবা ছবি দিয়ে প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে আমার নামে মামলা দেন, আমার বলার কিছু থাকবেনা, কিন্তু আমাকে মিথ্যা হয়রানি মূলক রাজনৈতিক মামলায় দয়া করে জাড়াবেন না এবং বিনয়ের সহিত অনুরোধ করবো, যারা প্রকৃত আসামি, তাদেরকে হত্যা মামলার আসামি করুন, তাহলে আন্দোলনে নিহত শহীদ পরিবার সঠিক বিচার পাবে। নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানি করার জন্য ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য হত্যা মামলার মিথ্যা আসামি করলে শহীদের আত্মা কষ্ট পাবে।

আমরা সবাই মারা যাবো। কেউ কেয়ামত পর্যন্ত বাঁচবো না। মৃত্যু ভয়ের কথা চিন্তা করে, দয়া করে আামাকে সহ নিরা পরাধ কাউকে হত্যা মামলার মিথ্যা আসামি করবেন না। প্রকৃত আসামীদেরকে হত্যা মামলায় অন্তর্ভুক্ত করুন এবং শহীদ পরিবারকে ন্যায় বিচার পেতে সহযোগিতা করুন। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, জীবনে কোনদিন কারও ১টি" জায়গাও অবৈধ দখল করিনি, অবৈধ কোন সম্পত্তি অর্জন করিনি, এমনকি বাবুরহাট বাজারসহ কোথাও ১টি সরকারী খাস সম্পত্তিও লীজ গ্রহণ করিনি।

জীবনে কোনদিন কারও সাথে দলবাজি করিনি।দলের ক্ষমতার অপব্যবহার করিনি। দলের ক্ষমতা গন মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করেছি। দলের ক্ষমতা ব্যবহার করে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায়, নরসিংদীর গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছি।

সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরুপ:
১)করোনা কালীন ভয়াল দু:সময়ে সারা বাংলাদেশ বন্ধ থাকলেও বাবুরহাট বাজার অনলাইনে খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছিলাম। যার ফলে নরসিংদী জেলার ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী সহ প্রায় ২ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছে। বাবুরহাট বাজার খোলা রাখার ফলে,,, ব্যবসায়ীরা প্রায় ১০০০ কোটি টাকার পন্য যেমন বিক্রি করতে পেরেছে এব; কারখানার শ্রমিক বিল দিতে পেরেছে , আল্লাহপাকের অশেষ রহমতে, তেমনিভাবে শ্রমজীবী মানুষও কাজ করে তাদের রিজিকের ব্যবস্থা করতে পেরেছে । নরসিংদীতে কোন শ্রমিক অসন্তোষ হয়নি ।

২) করোনাকালীন ভয়াল দু: সময়ে নিজের ও পরিবারের জীবনের ঝুকি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বারংবার মিটিং করে,,, ব্যবসায়ীদের শিল্প প্রতিষ্ঠান, নরসিংদী ও মাধবদী বাজারের মার্কেট ও দোকানপাট স্বাস্থ্য বিধি মেনে খোলা রাখার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সচেষ্ট ছিলাম।

৩) করোনাকালীন ৪% সুূদে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রনোদনা ঋন বিতরণে তৎকালীন এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মহো।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ আবু নাঈম রিপন