সাভার আনন্দ পুর সংলগ্ন জঙ্গলে পতিতাদের রঙ্গলিলা
দৈনিক বিজয় নিউজ সাভার প্রতিনিধিঃ
সাভার আনন্দ পুর সংলগ্ন জঙ্গলে দীর্ঘদিন ধরে চলছে, পতিতাদের রঙ্গলিলা । সাভার পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের আনন্দপুর এলাকায় বাউগাবাড়ি মহল্লায় দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে মাদক ও পতিতার ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তার পুত্রসহ ভাগনে ও ভাতিজারা। মহল্লার ভিতরে এদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতা ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আয়নাল হক গেদু তার পুত্রসহ ভাতিজা, ও ভাগনেরা। আনন্দপুর একলাছ উদ্দিন খান সড়কে গেদুর বাড়ির ভিতরে গেদু ও তার ভাইয়েরাসহ একাধিক চায়ের দোকান ভাড়া দিয়েছেন। দোকানগুলোতে সারারাত মাদক কারবারি ও মাদক সেবন সহ হিজড়া ও পতিতাদের বহিরাগত খদ্দেরদের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রস্থল। আয়নাল হক গেদুর পুত্র, ভাতিজার, তত্বাবধানে এস আই ফিলিং স্টেশনের দক্ষিণ পাশে পতিতা বা দেহ ব্যবসায়ীগণ ভরা জঙ্গলের মধ্যে দেহ ব্যবসা করে। এবং পাশে একটা টং দোকান রয়েছে, এবং ইয়াবা বিক্রির জন্য একজন পাগল বেশধারী লোক থাকেন দোকানে । ঐ পাগল ইয়াবা বিক্রেতা ইয়াবা খোর, কবিরের লোক। ইয়াবা কবিরকে সার্বিকভাবে এলাকায় শেল্টার দেন, গেদুর ছেলে রাজিব সহ ভাতিজা মোর্শেদ ও ভাগিনা তানজিল। ইয়াবা কবিরের নিকট থেকে এই তিনজন শেল্টারের বিনিময়ে নিয়মিত ইয়াবা নিয়ে সেবন করে ও মাসিক চাঁদা নিয়ে থাকেন । মহাসড়কের পাশের ঐ পতিতা জমিতে প্রতিদিন সন্ধ্যার পরেই হিজড়া ও পতিতাদের উপস্থিতি শুরু হয়ে যায়। অফিস ছুটির শেষে এলাকার মানুষ সন্ধ্যার পরে যখন বাড়িতে ফেরে, ঠিক সেই সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় শ্রমিকদের । এছাড়াও সন্ধ্যার পর থানা বাসস্ট্যান্ড হতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে,আনন্দপুর মহল্লায় যেতে না যেতেই পতিতা ও হিজড়াদের নানা বিড়ম্বনা ও ছিনতাইয়ের শিকার হতে হয়। এসব কাজের সাথে এলাকার ইয়াবা কবির ও তার আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা গেদু পুত্র রাজিব সহ কিশোর গ্যাং প্রধান তানজিল ও মোর্শেদ । এদের ভয়ে কেউই এলাকার মধ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না । করোনা চলাকালীন সময়ে সারাদেশে কঠোর লক ডাউনের সময়েও গেদুর এলাকার চায়ের দোকানে সারারাত থাকত হিজড়া, পতিতা, সহ মাদক ক্রয় বিক্রয় সদস্য সহ পতিতারা । আর এসব কিছুই চলতো গেদুর সমর্থনে তারই নাকের ডগায়। এলাকার কেউ প্রতিবাদ করলে তার সন্ত্রাসী পুত্রের কিশোরগ্যাং ও বাহিনীর হামলার স্বীকার হতে হয়। সরোজমিনে গিয়ে তথ্যের ভিত্তিতে ও গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানা জানা, আনন্দপুর মহল্লায় অনেক নতুন বাড়ির মালিকদের কথা অনুযায়ী, সাভারের সবচেয়ে খারাপ এলাকাগুলো তে, এখন আর মাদক, দেহ ব্যবসা এসব অপকর্ম হয় না। তারা আরো বলেন, আনন্দপুর বাউগা বাড়ির আয়নাল হক গেদুর কাউন্সিলর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে এলাকায় মাদকসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য পুরো এলাকা টা গ্রীন জোন হিসাবে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসী আয়নাল হক গেদুকে এসকল বিষয় নিয়ে নানা সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বললে তিনি এসব বিষয় নিয়ে কখনো আমলে নেন নাই। সাবেক ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বর্তমান সাভার পৌর কৃষকলীগের সভাপতি আয়নাল হক গেদুর এলাকার বদনাম অনেক দীর্ঘদিনের। এক সময়ের দেড়টন ট্রাকের হেলপার ও কৃষক অশিক্ষিত আয়নাল হক গেদু কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নের বিষয় কখনো ভাবেন নি । মাদকের ব্যবসার বিরোধ নিয়ে তার বাড়ির দুই ভাড়াটিয়া খুন হয়। তিনি নিজেকে নিজের পুত্রের ও ভাতিজা ভাগিনাদের পিঠ বাঁচাতে খুনের বিষয়গুলো নিজ খরচে ধামাচাপা দিয়ে দেয়। এলাকার এরকম বহু অপকর্মের হোতা এই আয়নাল হক গেদু ও তার পরিবারের সদস্যরা। সাভার পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের আনন্দপুর এলাকার বাউগাবাড়ি মহল্লায় দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে মাদক ও পতিতার ব্যবসার সাথে জড়িয়ে এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও তার পুত্র ও ভগিনা ভাতিজারা। মহল্লার ভিতরে এদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়দাতা ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আয়নাল হক গেদু তার পুত্র ও ভাতিজা, ভাগিনারা। আনন্দপুর একলাছ উদ্দিন খান সড়কে গেদুর বাড়ির ভিতরে গেদু ও তার ভাইয়েরা একাধিক চায়ের দোকান ভাড়া দিয়ে রেখেছে। দোকানগুলোতে সারারাত মাদক কারবারি ও মাদকসেবি, হিজড়া ও পতিতাদের বহিরাগত খদ্দেরদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আয়নাল হক গেদুর পুত্র ও ভাতিজার তত্বাবধানে এস আই ফিলিং স্টেশনের দক্ষিণ পাশের পতিত জঙ্গলাকীর্ণ জমিতে একটা টং দোকান রাখা হয়েছে। যেখানে পাগল বেশধারী একজন লোক থাকে। ঐ পাগল ইয়াবা বিক্রেতা ইয়াবা কবিরের লোক। ইয়াবা কবিরকে সার্বিকভাবে এলাকায় শেল্টার দেয় গেদুর ছেলে রাজিব, ভাতিজা মোর্শেদ ও ভাগিনা তানজিল। ইয়াবা কবিরের নিকট থেকে এই তিনজন শেল্টারের বিনিময়ে নিয়মিত ইয়াবা নিয়ে সেবন করে ও মাসিক চাঁদা নিয়ে থাকে। মহাসড়কের পাশের ঐ পতিত জমিতে প্রতিদিন সন্ধ্যার পরেই হিজড়া ও পতিতাদের উপস্থিতি শুরু হয়ে যায়। অফিস শেষে এলাকার মানুষ সন্ধ্যার পরে বাড়ি ফেরার সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এছাড়াও সন্ধ্যার পর থানা বাস স্ট্যান্ড হতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আনন্দপুর মহল্লায় যেতে পতিতা ও হিজড়াদের নানা বিড়ম্বনা ও ছিনতাইয়ের শিকার হতে হয়। এসব কাজের সাথে এলাকার ইয়াবা কবির ও তার আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা গেদু পুত্র রাজিব ও তার কিশোর গ্যাং প্রধান তানজিল ও মোর্শেদ জড়িত। এদের ভয়ে এলাকার কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না । এসব কিছুই চলতো গেদুর সমর্থনে ও তারই নাকের ডগায়। এলাকার কেউ প্রতিবাদ করলে তার সন্ত্রাসী পুত্রের কিশোর গ্যাং বাহিনীর হামলার স্বীকার হতে হয়। আনন্দপুর মহল্লায় অনেক নতুন বাড়ির মালিকদের কথা অনুযায়ী সাভারের সবচেয়ে খারাপ এলাকাগুলো তে এখন আর মাদক ও দেহ ব্যবসার মতো এসব অপকর্ম আর হয় না। আনন্দপুর বাউগা বাড়ির আয়নাল হক গেদুর কাউন্সিলর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে এলাকায় মাদকসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য পুরো এলাকা টা গ্রীন জোনে পরিণত হয়েছে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ ইমরান মোল্লা