পাবনায় বিএনপি নেতার ইন্ধনে যুবদল নেতা পেটালো যুবদল কর্মীকে

পাবনায় বিএনপি নেতার ইন্ধনে যুবদল নেতা পেটালো যুবদল কর্মীকে
ছবিঃ এসএম এম আকাশ

দৈনিক বিজয় নিউজ পাবনা প্রতিনিধিঃ

পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার ফৈলজানা ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের কচুগাড়ী গ্রামে বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী ২০২৫) বিএনপি নেতা ময়নুল ইসলাম মোল্লার ইন্ধনে তার নিজের ভাতিজা যুবদল নেতা সাব্বির রহমান মোল্লা যুবদল কর্মী কচুগাড়ী গ্রামের মৃত হাবিবুল্লাহ প্রামানিক এর বড় মোঃ রোকনুজ্জামান রোকনু(৩৮)কে বাঁশ ও হাতুড়ি দিয়ে বেদম পিটিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে দেয়। ভয়ে ভীত সন্তোস্ত হয়ে কোন লোকজন ঠেকাতে পর্যন্ত আসেনি। মৃতপ্রায় অবস্থায় গ্রাম পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীরা রোকনুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। রোকনুজ্জামান রোকনু চিকিৎসাধীন আহত অবস্থায় রোকনুকে প্রথমে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চাটমোহর থেকে পরে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন ও সেখানেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছেন তার ঘটনার বিবরনে জানাযায় যে, কচুগাড়ী গ্রামের বিল-জোলা(ক্যানাল)এ মাছ ধরার জন্য টং বা ভাওর ফেলে মাছ ধরতো এই ময়নুল ইসলাম মোল্লার লোকজন। রোকনুজ্জামান ওই ভাওরে লোকজনকে জুয়া খেলতে টাকার বিনিময়ে ভাড়া দিতো! এজন্যই রোকনুজ্জামান কে নিষেধ করেও কাজ না হওয়ায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।

রোকনুজ্জামানকে বেধরক পেটানোর সময় সাব্বির রহমান ও তার সহযোগীরা কচুগাড়ী গ্রামের আরো অনেকজনকে নাম ধরে খুঁজতে থাকে। রোকনুকে পেটানোর সময় কয়েকজনকে দৌড়ে পালাতেও দেখে লোকজন। রোকনুজ্জামানকে পেটানোর পিছনে রাজনৈতিক গ্রুপিং থাকতে পারে বলে এলাকাবাসীরা ধারনা করছে। কারন হিসেবে অনেকেই বলাবলি করছে যে রোকনুজ্জামান আব্দুর রহমান(ফের রহমান)এর সাথে রাজনীতি করে আর আব্দুর রহমান হাসানুল ইসলাম রাজা'র সাথে রাজনীতি করে। অপরদিকে মোঃ ময়নুল ইসলাম মোল্লা বিএনপি চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা সাবেক এমপি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কেএম আনোয়ার ইসলামের সাথে রাজনীতি করে। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় কোন মামলা হয়নি এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।ডান হাত ও পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।

দৈনিক বিজয় নিউজ/ এসএম এম আকাশ