বাংলাদেশের ইতিহাস!
বাংলাদেশের ইতিহাস।
বাংলাদেশ:
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ. আসাম ও মেঘারয়, পূর্ব সীমান্তে আসাম, ত্রিপুরা ও মেজোরাম, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মিয়ানমারের চিন ও রাখাইন রাজ্য এবং দক্ষিণ উপকূলের দিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর বৃহত্তর ব-দ্বীপের সিংহভাগ অঞ্চল জুড়ে বাংলাদেশ ভুখন্ড অবস্থিত । জনসংখ্যার বিবেচনায় ১৬ কোটির অধিক মানুষ নিয়ে বাংলাদেম বিশ্বের ৮ম বৃহত্তম দেশ। নদীমাতৃক বাংলাদেশ ভূখন্ডের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ৫৭টি আন্তার্জাতিক নদী। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় ছেয়ে আছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন ও দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশে অবস্থিত। ( সংগৃহিত : উইকিপিডিয়া )।
বাংলাদেশের অতীত : ১০০-২০০ বছর আগের বাংলাদেশ ছিল ভেজাল মুক্ত সতেজ খাবার, হিংসা বিদ্বেশ ছাড়া একটি প্রকৃতিতে ভরা সুন্দর ও সবুজ শ্যামল বাংলাদেশ। মানুষে মানুষে ছিল একে অপরের সাথে বন্ধুত্ব মুলক আচরণ। রাজনীতি বলতে ছিল সুষ্ঠ নির্বাচন স্বাধীন ভোটগ্রহন ক্ষমতার অপব্যবহার মোটেও ছিল না। জমিতে ফসল ফলাতে মানুষের কঠোর পরিশ্রম করেও বিঘা প্রতি ধান চাষ হত ৭ থেকে ৮ মোন যা দিয়ে যৌথ পরিবারের টানাটানি করে সংসার চালাতে হত। স্কুল, কলেজ ছিল বাড়ি থেকে অনেক দূরে যার ফলে শিক্ষা বলতে পাড়ার মসজিদ গুলোতে আমপাড়া ও কুরআন শিক্ষাই ছিল প্রধান। শহর বা শহরতলীতে ছিল ইংরেজদের শ্বাসন ব্যবস্থা যা গ্রামে কোনরকম প্রভাবই পরতো না তাই গ্রামের সকলে রাজনীতির র বুঝতোনা।
বাংলাদেশের বর্তমান: বাংলাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ পরিবারের মধ্যমনি বাংলাদের একমাত্র বৈজ্ঞানীক ড.এস ওয়াজেদ স্যার এর অর্ধাঙ্গীনি জনাবা শেখ হাসিনা ওয়াজেদ। তিনি ২০০৯ সালে তত্যাবধায়ক সরকারের অধীনে বিএনপির বিপরীতে সুষ্ঠো নির্বচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে, বাংলাদেশকে একটি সু-শিক্ষায় শিক্ষিত ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উন্নয়ন করে আসছেন। এমন একটা সময় ছিল বাংলাদেশ মোবাইল ফোনের একটি সিম কার্ডের দাম ছিল ৪ হাজার টাকা এখন এই ডিজিটাল যুগে যা ৭ শত টাকায় একটি অডিও ভিডিও মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। শুধু এখানেই থেমে নেই মাত্র ২ হাজার টাকা থেকে স্মার্ট ফোন পাওয়া যাচ্ছে। যা বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনার মাধ্যমে এটা সম্ভব হয়েছে। প্রযুক্তি খাতে বাংলার জনগনের স্বপ্ন পদ্মা সেতু যা অনেক স্বাধনার পরে ২০২২ সালে ঘটা করে ২৫ জুন উদ্ভাবন করেন। এছাড়াও স্বপ্ন কল্পনা ঢাকা মাওযা হাইওয়ে এক্সপ্রেস এবং ফরিদপুর ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মান করে বাংলাদেশে েইউরোপিয় ধাচের ছোয়া দিতে সক্ষম হয়েছে।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ডব্লিউবি