দেবরের পরিবারের হামলায় আহত অঞ্জলি রানী হাসপাতালে
দৈনিক বিজয় নিউজ পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দেবরের পরিবারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন অঞ্জলি রানী নামে এক বিধবা নারী। সর্বশেষ স্বামীর শ্মশানে প্রদীপ জ্বালাতে গেলে হামলার শিকার হয়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অঞ্জলি রানীর স্বামী শান্তি রঞ্জন দে প্রায় ৯ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর থেকে তিনি সন্তানদের নিয়ে বসবাস করে আসছেন। অভিযোগ, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই সম্পত্তি নিয়ে তার দেবর মিঠু দে ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। অঞ্জলি রানীর অভিযোগ, এ বিরোধের জের ধরে তাকে ও তার সন্তানদের বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন ও হয়রানি করা হয়েছে।
অঞ্জলি রানীর পরিবারের দাবি, এ বিষয়ে তিনি এর আগে মির্জাগঞ্জ থানায় দুইবার অভিযোগ করলেও কোনো কার্যকর সমাধান পাননি। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে অঞ্জলি রানী তার স্বামীর শ্মশানে প্রদীপ জ্বালাতে গেলে সেখানে তার দেবর মিঠু দে, তার স্ত্রী মনিকা ও তাদের ছেলে জয়ন্তের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন অঞ্জলি রানী। এ সময় তার মাথায় আঘাত করা হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে অঞ্জলি রানীর ছেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকি ৎসাধীন রয়েছেন। আহত অঞ্জলি রানীর পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অঞ্জলি রানী বলেন, “আমি এখন কোথায় যাব, কার কাছে যাব? কার কাছে গেলে বিচার পাব?” ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিজের ও সন্তানদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন অঞ্জলি রানী ও তার পরিবারের সদস্যরা।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ মোঃ জাকির হোসেন গাজী