বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াই প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ
দৈনিক বিজয় নিউজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ
আমি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহমেদ সালাম, পিতা মৃত, আলী মোহাম্মদ, বাবু পাড়া, আলমডাঙ্গা পৌরসভা, উপজেলা আলমডাঙ্গা জেলা চুয়াডাঙ্গা। আমি আলমডাঙ্গা শহরে বসবাস করি, আমার আলমডাঙ্গা শহরে নিজস্ব বাড়ি ও নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে, আমি সার্বক্ষণিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নিজ বাড়িতে অবস্থান করে থাকি। আমার জন্মস্থান আলমডাঙ্গা শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে হারদী ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে। আমার বাবা ছিলেন,আমার দাদার এক মাত্র সন্তান। আমরা তিন ভাই, মেজো ভাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য, তাহার আলমডাঙ্গা উপজেলা অফিসের পিছনে বাড়ি আছে, তবে তিনি ঢাকাতে বসবাস করেন, মাঝেমধ্যে আলমডাঙ্গার বাড়িতে দুই এক দিন অবস্থান করেন। আমার বড় ভাই বৃদ্ধ মানুষ তাহার সন্তানের সাথে ঈশ্বরদী বসবাস করেন। আমার গ্রামের বাড়িতে ৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ গুরুতর অসুস্থ মা ও মালয়েশিয়া প্রবাসী অগ্নিপতির স্ত্রী বড় বোন ও তার স্কুল পড়ুয়া কন্যা বসবাস করে। অর্থাৎ গ্রামের বাড়িতে বৃদ্ধ নারী ও শিশুরা বসবাস করে। আমি ও আমার দুই ভাই মায়ের অসুস্থতা, ঈদ ও অন্যান্য বিশেষ প্রয়োজনে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া আশা করে থাকি। জন্মসূত্রে আমি কেশবপুর গ্রামের মানুষ বিধায় গ্রামে আমার কিছু বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী ইত্যাদি রহিয়াছে, যাহা সকল মানুষেরই থাকে। গ্রামে আমাদের পৈতৃক সূত্রে বেশ কিছু জমি জায়গা আছে, সেগুলোতে আমরা নিজেরা কোন সময় চাষা আবাদ করি না। গ্রামের কিছু মানুষের নিকট লিজ দেওয়া আছে। কেশবপুর গ্রামের আনিস মাস্টার, মঞ্জিল ও চেঙ্গিস এদের এই পরিবারটি ঐতিহাসিক ভাবেই চরমপন্থী সন্ত্রাসী ও জবর দখলকারী পরিবার। বিগত ১৭ বছরের শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসন আমলে কেশবপুর গ্রাম ও হারদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পদ-পদবি গ্রহণ করে মানুষের প্রতি অনেক জুলুম নির্যাতন ও জবর দখল চালিয়েছে, চেঙ্গিস, মঞ্জিল, ইমাদুল, আশরাফুল গং। বিগত ৫ই আগস্ট এর পর গ্রামের মানুষ অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত মানুষকে মারাত্মক ভাবে জখম ও বাড়ি ঘর ভাঙচুর করেছে। যাহা চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ সহ মিডিয়ার কল্যাণে দেশবাসী ও অবগত হইয়াছে। গ্রামে একটি জল মহল আছে যাহার শতভাগ জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন গ্রামের নিরীহ মানুষদের। উক্ত জল মহল চেঙ্গিস ও মঞ্জিল তাদের প্রভাব খাটিয়ে কোন প্রকার জমির মালিকদের অবগত না করে, দীর্ঘদিন যাবত লক্ষ লক্ষ টাকার মাটি বিক্রয় করে থাকে ইট ভাটার মালিকদের কাছে এবং উক্ত স্থানে জোরপূর্বক মৎস্য চাষ করে থাকে। যাহার কারণে গ্রামের নিরীহ মানুষদের সাথে চরমপন্থী সন্ত্রাসী চেঙ্গিস মঞ্জিল ও আনিস উদ্দিন, ইমাদুল এর পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ লেগে আছে। এখানে উল্লেখ্য যে আমার এবং আমার ভাইদের উক্ত জল মহলে কোন ধরনের জমি জমা নাই, বিধাই চেঙ্গিস মঞ্জিল আনিস এদের পরিবারের সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই। শুধুমাত্র গ্রামে আমার কিছু পরিচিত জন, তাদের সাথে সন্ত্রাসী পরিবারটির বিরোধ আছে। আমাকে গ্রামের কিছু মানুষ ভালোবাসে জন্মসূত্রে ওই গ্রামের আমি সন্তান বিধায়। শুধুমাত্র গ্রামের কিছু মানুষ আমাকে ভালবাসে তাদের সাথে ওই পরিবারটির বিরোধ বিধায়, ওই সন্ত্রাসী পরিবারটি আমার বৃদ্ধ মা যে ঘরে বসবাস করে, বিগত কিছুদিন পূর্বে সেই ঘরটি ব্যাপকভাবে ভাংচুর ও লুটপাট করেছিল চেঙ্গিস, মঞ্জিল, আনিস, ইমাদুল গং। যাহা মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমার মেজো ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে মাত্র। এই ঘটনা ছাড়া আমার এবং আমার ভাইদের চেঙ্গিস মঞ্জিল আনিস ইমাদুল সন্ত্রাসীগণ দের সাথে কোন বিরোধ নাই। সাম্প্রতিক কেশবপুর গ্রামে অর্ধশত মানুষের গুরুতর জখম ও জোরপূর্বক জল মহল দখল করে মাটি বিক্রয় ও মৎস্য চাষ কে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী চেঙ্গিস, মঞ্জিল, আনিস,ইমাদুল গং ও নির্যাতিত, নিপীড়িত গুরুতর জখম কৃত, নিরীহ গ্রামবাসীর মধ্য দফাই দফাই সংঘর্ষ হচ্ছে, উত্তেজনা বিরাজ করছে, একে অপরের মধ্যে উত্তম- মধ্যম এর ঘটনা ঘটছে। যাহার ক্ষেত্রে আমার কোন ধরনের সম্পর্ক নেই বা এই ধরনের ঘটনা রোধ করা বা প্রতিরোধ করার কোন ধরনের এক্তিয়ার বা ক্ষমতা কোনটাই নেই। তবুও আমাকে চুয়াডাঙ্গা জেলার এসপি মহোদয়, অতিরিক্ত এসপি মহোদয়, সার্কেল এসপি মহোদয়, আলমডাঙ্গা থানার ওসি সাহেব এবং গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ ডেকে নিয়ে যে অনুরোধ করতে বলেছে, আমি সেই অনুরোধ গ্রামবাসীকে করেছি, কোলাকুলি করেছি, মিষ্টিমুখ করেছি, সকলের অনুরোধে এবং গ্রামে যাহাতে শান্তি ফিরে আসে সেই স্বার্থে। সাম্প্রতি গ্রামে বিবাদমান দুই পক্ষ দিনক্ষণ ঠিক করে সংঘর্ষে জড়াচ্ছে। এই সংঘর্ষের ঘটনা কে নিউজ করতে যেয়ে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ সালাম গ্রুপ এবং চেঙ্গিস গ্রুপ শিরোনাম দিয়ে নিউজ করিতেছে। যাহা অত্যন্ত দুঃখজনক, আপত্তিকর ও মানহানি কর। আমি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহমেদ সালাম, আলমডাঙ্গা শহরে বসবাস করি, কেশবপুর গ্রামে আমার কোন গ্রুপ নাই।কেশবপুর গ্রামে আমার মমতাময়ী বৃদ্ধ অসুস্থ মা ও বোন বসবাস করে। আমি তাদের বাইরে কাহারো কোন দায়-দায়িত্ব পালন করি না। অতএব আমার অনুরোধ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের, আমার নাম জড়িয়ে যাহাতে কোন নিউজ না করা হয়। আমার এই নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদের পরে যদি কোন সাংবাদিক আমার নাম জড়িয়ে মিথ্যা নিউজ করে,প্রমাণ ব্যতি রেখে বা আমার বক্তব্য গ্রহণ না করে। আমি সেই সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আদালতে শরণাপন্ন হব,ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদ।
দৈনিক বিজয় নিউজ/ ইডি